>

*** শাফিউল উমাম,রউফুর রহীম, রহমাতুল্লীল আলামিন , নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত সাইয়্যিদে ঈদে আ'যম , সাইয়্যিদে ঈদে আকবর ,কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ শরীফ বা ঈদে মীলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার ফযিলত মুবারক*** *** দুই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের লাশ মুবারক দ্বিতীয় বার দাফন মুবারক*** *** সম্মানিত মুজাদ্দিদ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশুদ্ধ তালিকা*** *** আওলাদে রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে আর্থিকভাবে খিদমত মুবারকে যারা আঞ্জাম দিবে তারা দুনিয়া ও আখিরাত উভয়কালেই শাফায়াত মুবারক লাভ করবেন।***

হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফের সময় সমস্ত ঘর এমনকি বাছরা পর্যন্ত আলোকিত হয়ে যায় ।

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফের সময় সমস্ত ঘর এমনকি বাছরা পর্যন্ত আলোকিত হয়ে যায় ।

এ প্রসঙ্গে সুপ্রসিদ্ধ হাদিস বিশারদ আল্লামা মুহম্মদ আব্দুর রউফ মানাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তার মশহুর " ফয়জুল ক্বাদীর শরহে জামিউছ ছগীর " কিতাবের ৩য় খন্ড ৭৬৮ পৃ: তে উল্লেখ করেন,

" হযরত আবুল উজাফা হতে বর্নিত, সাইয়্যিদুল মুরছালিন, ইমামুল মুরছালিন, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুবারক জবানে ইরশাদ মুবারক করেন, আমার পবিত্র বিলাদত শরীফের সময় আমার সম্মানিত মাতা ( হযরত আম্মাজান আমিনা আলাইহাস সালাম ) দেখেন যে একখানা" নুর মুবারক" তাঁর থেকে আলাদা হয়ে বাছরা শহরের দালান - কোঠা সমূহ আলোকিত করে ফেলেছে ।" সুবহানাল্লাহ্ ।

ফ্বকীহুল মিল্লাত, ইমামুল মুহাদ্দিসীন, শাঈখুল ওলামা, আশেকে রসুল আল্লামা আহমদ আব্দুর রহমান আল বান্না রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর বিখ্যাত " বুলুগুল আমানী" কিতাবের ২০তম খন্ড, ১৮৩ পৃ: তে উল্লেখ করেন,

" হযরত উসমান ইবনে আবিল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, যে রাত্রে নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ্, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র বিলাদত শরীফ লাভ করেন সেই সময়ে আমার মাতা হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার নিকট উপস্থিত ছিলেন ।তিনি বলেন, সে রাত্রে আমি ঘরের ভিতর নুর ব্যতীত কিছুই দেখেনি ।" সুবহানাল্লাহ্ ।

অন্য কোন আদম সন্তান জন্মগ্রহণ করার সময় এরুপ ঘটনা ঘটেছে কি? যদি না ঘটে থাকে, তবে নুর নবীজি  ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 


আপনার আমার মতো হলেন কি করে?

হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণ মানুষের ন্যায় মায়ের হেরেম শরীফ থেকে পৃথিবীতে তাশরীফ আনেন নি



 আখেরী রসুল,সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন,নুরে মুজাসসাম, শাফিউল উমাম, রহমাতুল্লীন আলামীন, ছহেবে সালাত ওয়া সালাম, আছলুল কায়েনাত, খাইরুল আলম, খাইরুল বাশার, ছাহেবে আসমা ওয়াল হুসনা, ছাহেবে আলক্বাব, রহমতে আলম, আফজালুল কায়েনাত, ছ্বাহেবে কলম, ছাহেবে মীছাক্ব,সরওয়ারে কাওনাইন, ছাহেবে জামিউল কালিম মুত্তালে আলাল গাইব, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণ মানুষের ন্যায় মায়ের হেরেম শরীফ থেকে পৃথিবীতে তাশরীফ আনেন নি ।

এ ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের সকল ইমাম - মুজতাহিদ ও হযরত আউলিয়া কেরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত :---

.

كل مولود غير الانبياء يولد من الفرج وكل الانبياء غير نبينا مولودون من فوق الفرج وتحت السرة واما نبينا صلى الله عليه وسلم فمولود من الخاصرة اليسرى تحت الضلوع.

.

" হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম গন ব্যতীত সমস্ত মানুষই ( স্বীয় মায়ের ) স্বাভাবিক স্থান থেকে জন্ম গ্রহণ করে ।আর সমস্ত হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম গন স্বাভাবিক স্থানের উপর ও নাভির নিচ থেকে ভুমিস্ট হয়েছেন ।আর হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম ( হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার ) বাম পার্শ্বের পাঁজরের নিচ থেকে ভুমিষ্ঠ  হয়েছেন ।"( উমদাতুন্নুকুল ফি কাইফিয়াতে ওলাদাতির রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )

উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হলো যে,

হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সমস্ত হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম গন সাধারণ মানুষের মত ভুমিষ্ঠ  হননি । বরং যিনি খালিক, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তাদেরকে খাছ কুদরতী ভাবে স্বাভাবিক স্থান ব্যতীত অন্যস্থান দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন ।

এ সম্পর্কে আরো বর্ণিত আছে -

.

.

ولم يصح نقل ان نبيا من الانبياء ولد من الفرج ولهذا افتى المالكية بقتل من قال ان النبى صلى الله عليه وسلم ولد من مجرى البول.

.

" হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম গন স্বীয় মাতার স্বাভাবিক স্বাভাবিক স্থান থেকে জন্ম গ্রহণ করেছেন, একথা সম্পূর্ণ ভাবে অশুদ্ধ । আর এজন্য মালেকি মাযহাবের ইমাম গন ঐ ব্যক্তি কে ক্বতল করার ফতওয়া দিয়েছেন, যে ব্যক্তি বলবে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ( উনার মাতার ) স্বাভাবিক স্থান দিয়ে ভুমিষ্ঠ হয়েছেন ।"( উমদাতুন্নুকুল ফি কাইফিয়াতে ওলাদাতির রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )

কাজেই একথা সকল কে বিশ্বাস রাখত হবে নুর নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার সম্মানিত আম্মাজানের বাম পাঁজরের নিচ থেকে ভুমিষ্ঠ  হয়েছেন ।অতএব প্রমানিত হলো যে, হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম গন ব্যতীত সকল মানুষই মায়ের হেরেম শরীফ থেকে পৃথিবীতে এসেছেন ।যদি তাই হয় বাতিলদের কাছে প্রশ্ন, নুর নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আমাদের মতো হলেন কিভাবে?

দলিল :-

তালখিছ,

আত তাহসিল ওয়াল বায়ান,

জামিউল ফুছুলিন,

হাশিয়াতুল আলাশ্ শিফা ,

খোলাছা,

হাশিয়ায়ে জামিউল ফুছুলিন,

ইক্দুছ ছামিন,

তাফসিরে ওয়াহেদি ।

রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ অর্থাৎ উনার পবিত্র জন্মদিন মুবারক , পবিত্র শবে কদর শরীফ হতেও বেশি ফযিলত ও তাৎপর্যের দাবিদার

 নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ অর্থাৎ উনার পবিত্র জন্মদিন মুবারক  , পবিত্র শবে কদর শরীফ হতেও বেশি ফযিলত ও তাৎপর্যের দাবিদার



উপমহাদেশের বিখ্যাত মুহাদ্দিছ হযরত শাহ আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিখ্যাত ও সমাদৃত কিতাব  " মাসাবাতা বিস সুন্নাহ " শরীফ কিতাবে বর্ণিত বর্ণনা করেন ,  কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন তাজেদারে মদিনা , রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীনা, নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ অর্থাৎ উনার পবিত্র জন্মদিন মুবারক  , পবিত্র শবে কদর শরীফ হতেও বেশি ফযিলত ও তাৎপর্যের দাবিদার । এর পক্ষে তিনি কয়েকটি যুক্তি ও কারণ  উপস্থাপন করেন । 

প্রথমত: শবে বিলাদত শরীফ হলো হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সত্তার প্রকাশ রজনী  আর শবে কদর হলো উনাকে দানকৃত একটি পবিত্র রজনী ।অতএব শবে কদর হতে ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশি ফযিলতপূর্ণ । 

দ্বিতীয়ত: হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনার অবতীর্ণ হয় বলে শবে কদরের মর্যাদা । আর প্রিয় নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের কারণে হয়েছে  পবিত্রত শবে বিলাদত শরীফ উনার ফযিলত ও বুযূর্গী । 

তৃতীয়ত: পবিত্র শবে কদর শরীফ কেবল উম্মতে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উপর ফদ্বল ও করম অবতীর্ণ হয় । আর পবিত্র শবে বিলাদত শরীফে সমগ্র সৃষ্টির উপর রহমত ও বরকত নাযিল হয় । সুতরাং এ দিন অন্যান্য দিন অপেক্ষা অত্যাধিক বরকত ও রহমতপূর্ণ । এমনকি পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ মাসের ফযিলত এ মাসের ( পবিত্র বরিউল আউওয়াল শরীফ) তুলনায় কম । কারণ পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ বুযূর্গীর দাবিদার । এ জন্য যে, এ মাসে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ অবতীর্ণ হয় । পক্ষান্তরে পবিত্র বরিউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার বুযূর্গী হচ্ছে - এ মাসে ছাহিবে করআন (কালামুল্লাহ শরীফ)  হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাশরীফ মুবারক এনেছেন ।

সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ।

কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন তাজেদারে মদিনা , রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীনা, নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদাপূর্ণ থু-থু মুবারকের মু'জিযা শরীফ ।

শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন তাজেদারে মদিনা , রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীনা, নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বতের অনুপম দৃষ্টান্ত

  কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন তাজেদারে মদিনা , রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীনা, নুরে মুজাসসাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বতের অনুপম দৃষ্টান্ত :-